The 2025 report by the Women’s Reform Commission of Bangladesh presents a wide range of recommendations aimed at establishing gender justice and advancing women’s rights. While the report includes several progressive proposals, such as securing women’s safety and property right,s it has also sparked controversy by clashing with the country’s religious, cultural, and familial values. Particularly contentious are the tensions between secular feminist ideals and religious traditions, as well as between patriarchal social structures and gendered responsibilities. Citizen Initiative presents this policy paper to critically examine these contradictions and contribute toward a balanced, inclusive gender policy.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে যেই আলোচনাটা সবচেয়ে বেশি শুনা যায় সেটি হলোঃ ১) বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হলো রাষ্ট্রের ক্ষমতার কেন্দ্র একটি। এবং যেটার কারণে আরো একটি দ্বিতীয় সমস্যা তৈরি হয়, সেটি হলোঃ ২) বাংলাদেশে একটা উইনার-টেইকস-অল কালচার। এই উইনার-টেইকস-অল কালচার নিয়ে প্রচুর লেখালেখিও আছে। এমনকি একাডেমিয়াতেও আছে। এই উইনার-টেইকস-অল কালচারই স্বৈরশাসন ও ফ্যাসিস্টিক কালচার তৈরি করে। সুতরাং রাষ্ট্র সংস্কার করা বা ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে একটা সাস্টেইনেবল ডেমোক্রেটিক প্রাকটিসের মধ্যে নেয়ার জন্য রাষ্ট্রের এই পাওয়ার এককেন্দ্রিকতা বের হওয়ার কোন বিকল্প নাই। আমাদের এমন একটা রাষ্ট্রীয় কাঠামো দাড় করাতে হবে যেখানে রাষ্ট্রের পাওয়ার বা ক্ষমতা একাধিক জায়গায় থাকবে। সেই লক্ষ্যে আমাদের মোটাদাগে কয়েকটি প্রস্তাবনা আছে।
২০০৯ থেকে ধীরে ধীরে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে একাধিক ম্যাসাকার, গুম, হত্যা, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে অকেজো করে ফেলা এবং সর্বোপরি গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে হাসিনা রেজিম। সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মৌলিক মানবাধিদার ভূলুন্ঠিত করে, এই রেজিম সমাজে দ্বন্দ্ব-বিভেদ উসকে দিয়ে বাংলাদেশের সামাজিক বুননকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। অবশেষে, জুলাই গণবিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, গোত্র, রাজনৈতিক মতাদর্শ, আর্থসামাজিক শ্রেণি, লিঙ্গ, ও বয়সের মানুষ এক অভূতপূর্ব ঐক্যের সুতায় আবদ্ধ হয়। তারই ভিত্তিতে নাগরিকতন্ত্র বাংলাদেশ হাসিনা রেজিমকে অপসারণ করেছে।