গত সপ্তাহে একটি ছোট লেখায় বাংলাদেশের বামপন্থার মধ্যে ইসলামবিদ্বেষ ও বাঙালি মুসলমানের প্রতি বর্ণবাদ নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই বিষয়টি জানেন এবং বোঝেন। তাই এখন জরুরি হলো এ বাস্তবতায় বাঙালি মুসলমান কীভাবে কার্যকরভাবে এ বর্ণবাদের মোকাবিলা করতে পারে, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা।
২০২৩ সালের বইমেলায় প্রকাশিত আমার ‘বাঙালি মুসলমান প্রশ্ন’ গ্রন্থে মুসলমানের সন্তান হিসাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবাঞ্ছিত বোধ করার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছি; পাশাপাশি নানা একাডেমিক তত্ত্ব ব্যবহার করে বিশ্লেষণ করেছি বাংলাদেশে বাঙালি মুসলমানের বিরুদ্ধে চলমান বর্ণবাদী ধ্যানধারণা ও চর্চাগুলো। জুলাই-২৪ বিপ্লবপরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাঙালি মুসলমানের সন্তানরা প্রথমবারের মতো কথা বলার, চিন্তার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পেয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন হলো, তারা কীভাবে ইসলামবিদ্বেষ ও মুসলমানবিরোধী বর্ণবাদকে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক পরিসর থেকে দূর করতে পারে? আজকের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু সেটাই।
বর্ণবাদ : বস্তুগত দারিদ্র্য থেকে আত্মিক নিপীড়ন
বর্ণবাদ নিঃসন্দেহে অশুভ; তা বিদেশিই করুক, আর স্বদেশিই করুক। একটি ক্ষুদ্রগোষ্ঠী সংখ্যাগরিষ্ঠের জীবনের ওপর কর্তৃত্ব করার অধিকার রাখে-এমন উদ্ধত অনুমানকে কোনো দর্শন বা মতবাদ ন্যায্যতা দিতে পারে না। বর্ণবাদ যদি সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গেও প্রয়োগ করা হয়, তবুও তা নিন্দনীয় এবং সৎ দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন সবার কাছ থেকে প্রতিরোধের যোগ্য। বস্তুগত অভাব কষ্টদায়ক বটে, কিন্তু যখন তা আত্মিক দারিদ্র্যের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তা মানুষকে ভেতর থেকে মেরে ফেলে। এ আত্মিক শূন্যতাই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মুক্তির পথে পাহাড়সম বাধা তৈরি করেছে।
গ্রামীণ চাষাভুষা বাঙালি মুসলমানের বস্তুগত অভাব নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। কিন্তু আত্মিক দারিদ্র্য নিয়েও চিন্তা করা জরুরি। কেন বাঙালি মুসলমান তার প্রকৃত শক্তি প্রকাশে ব্যর্থ হয়? সে কি নিজেকে অক্ষম মনে করে? তার জিনে কি সেই বিরল গুণের অভাব আছে, যা মানুষকে স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য জীবন উৎসর্গে উদ্বুদ্ধ করে? নাকি সে আসলেই এক পরাজিত মানুষ? উত্তর জটিল, কিন্তু শেষটা সঠিক উত্তরের কাছাকাছি।
ইসলামবিদ্বেষ ও জ্ঞানের উপনিবেশ
‘বাঙালি মুসলমান প্রশ্ন’ গ্রন্থে আমি দেখিয়েছি যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা যদিও পূর্ববাংলার মুসলমান সন্তানের উচ্চশিক্ষার জন্য, জন্মলগ্ন থেকেই এ বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামবিদ্বেষী ভূমিকা পালন করেছে। ইতিহাস, দর্শন, সমাজবিদ্যা প্রভৃতি বয়ানের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে মুসলমানদের উনমানুষ হিসাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রথমে ইংরেজদের, পরে কলকাতাকেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবিতার অধীনস্থ হিসাবে তাদের নির্মাণ করা হয়েছে একটা অক্ষম জনগোষ্ঠী হিসাবে। সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বাঙালি মুসলমানের গৌরবময় ঐতিহ্য থাকলেও তা আড়াল করা হয়েছে। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান জনগোষ্ঠীকে মুখাপেক্ষী করে রাখা হয়েছে ‘শাহবাগী’, তথা নিজেদের সেক্যুলার বা প্রগতিশীল দাবিদার একটি ক্ষুদ্র বর্ণবাদী গোষ্ঠীর কাছে। শিক্ষা, শিল্প-সাহিত্য ও গণমাধ্যমে প্রবেশ করেও মুসলমানের সন্তানরা একরকম অনুগত খোলসে পরিণত হয়েছে।
অন্তরের অপমান থেকে বাঙালি মুসলমানের শিক্ষিত সন্তানদের মধ্যে রাগ জন্মায়, কিন্তু তা ভুল জায়গায় প্রকাশ পায়, নিজেদের ওপরেই। মুসলমান নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাস হারায়, অথচ নতুন নেতৃত্বও খুঁজে পায় না। নিঃসঙ্গতায় তারা প্রগতিশীল শাহবাগীদের প্রতি ঘৃণা লালন করে, কিন্তু বাইরে এসে সামান্য সিগারেট বা চায়ের আড্ডায় তাদের পাশে বসতে পারলেই বিগলিত হয়ে আনুগত্য দেখায়। হৃদয়ে শাহবাগী আরামের জন্য আকুল হয় এবং নিজেদের দোষারোপ করে যে যথেষ্ট ‘শিক্ষিত’ না হওয়ায় সেই আরাম তাদের প্রাপ্য হয়নি। শাহবাগীদের বৈজ্ঞানিক, সাহিত্যে, কী শিল্পকলায় সাফল্য, যার অনেকটাই তারা বুঝতে পারে না, সেটা তাদের আরও বিশ্বাস করায় যে প্রকৃত উন্নয়ন একমাত্র শাহবাগিতাতেই সম্ভব। ফলত, মুসলমান এক ধরনের খোলসে পরিণত হয়েছে-পরাজিত, ভীরু দাসে রূপান্তরিত, যে বর্ণবাদের নিপীড়নের জোয়াল বয়ে নিয়ে চলছে নিরন্তর।
নিজের ভেতর ফিরে দেখা : মুক্তির প্রথম ধাপ
বর্ণবাদীর প্রতি আনুগত্য এবং জাতে ওঠার আশায় নিপীড়কের পদলেহন-এটাই প্রথম সত্য। তিক্ত হলেও এ সত্যকে অস্বীকার করা যাবে না। আর তাই এ সত্য স্বীকার না করলে পরিবর্তনের কোনো কর্মসূচি শুরু করাও সম্ভব নয়।
ঔপনিবেশিক শিক্ষানীতির প্রসঙ্গে লর্ড ম্যাকলের প্রস্তাবের কথা আমরা জানি। ইংরেজরা এদেশে শিক্ষা বিস্তার করেছিল জনগণের আত্মিক মুক্তির জন্য নয়, বরং ইংরেজি ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন দাস শ্রেণি তৈরির জন্য। দৈহিক অবয়বে স্থানীয় হলেও চিন্তাচেতনায় ইংরেজদের দাস বানানোই ছিল তাদের লক্ষ্য। তারা শুধু শাসিত সমাজের কাঠামো ধ্বংস করেনি, বরং অতীত ইতিহাসও বিকৃত করেছে। ধর্মীয় অনুশীলনকে কুসংস্কার বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে স্কুলে ঢুকেই মুসলমান সন্তান তার উত্তরাধিকারের প্রতি ঘৃণা করতে শিখেছে এবং শাহবাগীদের সঙ্গে একাত্ম হওয়াতেই শান্তি খুঁজে পেয়েছে।
ইতিহাসের বিকৃতি ও পুনর্লিখনের প্রয়োজন
আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাই বাঙালি মুসলমানের মধ্যে স্বকীয় চেতনার পুনর্জাগরণ অপরিহার্য। কার্যকরভাবে তা করতে হলে অতীতকে নতুনভাবে লেখতে হবে; মুসলমানদের ইতিহাসে যে বীরেরা কেন্দ্রীয় ভূমিকা রেখেছেন, তাদের সামনে আনতে হবে। ইতিবাচক ইতিহাসবোধহীন জনগোষ্ঠী হলো ইঞ্জিনবিহীন যান, যাদের আবেগ সহজেই অন্য সমাজের ছায়াতলে প্রবাহিত হয়।
ঐতিহাসিকভাবে ইংরেজবিরোধী সংগ্রামে বাঙালি মুসলমানের অবদান উল্লেখযোগ্য। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের শুরুর দিকেই পূর্ববাংলার মুসলমান ফকির ও হিন্দু সন্ন্যাসীরা একত্রে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাদের উত্তরসূরিরা ফরায়েজী আন্দোলন, তরিকতে মোহাম্মদী, খেলাফত আন্দোলন ইত্যাদির মাধ্যমে লড়াই চালিয়ে যায়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এসব আন্দোলনকে প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। তার স্থলে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি আর নেতৃত্বকে জাতীয় ইতিহাসের প্রতীক হিসাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। যেমন, ফরায়েজী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা হাজি শরীয়তুল্লাহ বা তার ছেলে দুদু মিয়ার তুলনায় একেবারেই ক্ষুদ্র, ভারতীয় কংগ্রেসের অনুসারী একটা ছোট্ট দলের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন এবং তার নেতা সূর্যসেন আর প্রীতিলতাকে বিশাল ঐতিহাসিক ঘটনা ও হিরোর মর্যাদায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
আবার যখন বাঙালি মুসলমানকে জাতীয় ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, সেটা করা হয় নেতিবাচকভাবে। যেমন, বঙ্গভঙ্গের জন্য দায়ী করা হয় সেই সময়কার বাঙালি মুসলমান নেতৃত্বকে। অথচ, প্রখ্যাত ইতিহাস গবেষক জয়া চ্যাটার্জি তথ্যপ্রমাণাদি বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন, বাঙালি হিন্দুর উচ্চ ও মধ্যবিত্ত তথা বাবু শ্রেণির প্রবল বিরোধিতার মুখে শেরেবাংলা ফজলুল হক আর শ্যামাপ্রসাদের ঐক্যবদ্ধ বাংলার প্রচেষ্টা বিফলে যায়। একইভাবে একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাশাসকদের বিরুদ্ধে বাঙালি মুসলমানের স্বাধীনতাসংগ্রামকে উপস্থাপন করা হয় ইসলামের বিরুদ্ধে ‘সেক্যুলার/প্রগতিশীল’দের লড়াই হিসাবে, যে বয়ানে বাঙালি মুসলমানকে চিত্রিত করা হয় রাজাকাররূপে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তিন জাতীয় নেতার স্মৃতিসৌধ আছে : শেরেবাংলা ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, আর খাজা নাজিমুদ্দিন। সেখানে প্রথম দর্শনে আমার মনে প্রশ্ন জেগেছিল যে, খাজা নাজিমুদ্দিনের মতো একজন পাকিস্তানপন্থি কীভাবে সেখানে স্থান পেল? আমাদের জাতীয় ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেন বাঙালির শত্রু। অথচ, তিনি মুসলিম লীগের নেতা হিসাবে বাঙালি মুসলমানের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে, বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইনের মাধ্যমে বাঙালি মুসলমান কৃষকের অধিকার আদায়ে, প্রাথমিক শিক্ষাকে সবার জন্য বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক করার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমান জনগোষ্ঠীর জন্য অশেষ অবদান রেখে গেছেন।
কী সাহিত্যে, কী শিল্পে যাবতীয় নেতিবাচক চরিত্র অংকন করা হয় বাঙালি মুসলমানের অবয়বে। অথচ, সত্য হলো এই যে, একাত্তরের যুদ্ধের স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে যুদ্ধ করেছে বাঙালি মুসলমানই। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ নামের এক সেক্যুলার প্রগতিশীল সাহিত্যিকের রচিত উপন্যাস লালসালুতে গ্রামের চাষাভুষা মুসলমানকে পীর আর মাজার পূজারি হিসাবে চিত্রিত করে ব্যঙ্গ করা হয়; আবার কতিপয় মুসলমান সেসব মাজার ভাঙতে গেলে তাদেরই সন্ত্রাসী হিসাবে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করায় এসব শাহবাগী।
বাংলা ভাষায় ক্ষেত্রেও জাতীয় ইতিহাস বিকৃত করে বাঙালি মুসলমানের অবদানকে মুছে ফেলা হয়েছে। ঐতিহাসিক দলিলপ্রমাণ সাক্ষ্য দেয়, বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে বাংলার মুসলমান সুলতানদের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায়, মুসলমান ও হিন্দু উভয় সম্প্রদায়ের সাহিত্যিকদের হাতে। এ অঞ্চলের প্রধান ভাষা হয়ে ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলা ভাষায় প্রচুর আরবি-ফারসি শব্দের সমাহার ঘটেছিল সেসব সাহিত্যিকের লেখনীতে। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে, বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলকাতাকেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবিতা প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা কুক্ষিগত করে সেই আদি বাংলা সাহিত্যকে বটতলার সাহিত্য আর সেই ভাষাকে মুসলমানি বাংলা নাম দিয়ে মূলধারা থেকে বিতাড়িত করে।
নিজেদের ইতিহাসে ফিরে যাওয়া : আত্মবিশ্বাসের পুনর্গঠন
আজ বাঙালি মুসলমান সন্তানরা বুকের রক্ত দিয়ে স্বৈরাচার হটিয়েছে, রাজনীতির ময়দানে প্রবেশ করেছে। এখন তাদের প্রয়োজন ‘বাঙালি মুসলমান চেতনা’র পুনর্জাগরণ। প্রথম পদক্ষেপ হবে পূর্বপুরুষের অবদান যথাযথভাবে চিহ্নিতকরণ, সংরক্ষণ ও উদযাপন। ইতিহাস পুনর্লিখনের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারলেই তারা নিজেদের একটি সক্ষম জাতি হিসাবে গড়ে তুলতে পারবে।
স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জুলাই-২৪ বিপ্লবের নেতৃত্বে এবং মাঠের সংগ্রামে বাঙালি মুসলমানের সন্তানরাই ছিল অগ্রভাগে। আত্মত্যাগও করেছে এরাই, সবার থেকে বেশি। কিন্তু রাষ্ট্র পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় এরা আর সবার সঙ্গে মিলেমিশেই এগিয়ে এসেছে। এক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে হিন্দু এবং অন্য ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে তাদের অগ্রযাত্রা উল্লেখযোগ্য। একই সঙ্গে বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম, হেফাজতে ইসলামসহ অন্য ইসলামপন্থি দলের মধ্যে বাঙালি মুসলমানের পাশাপাশি আর সব জাতিগোষ্ঠীকেও নিজ নিজ রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করার একটা সাধারণ প্রবণতা লক্ষণীয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় ইতিহাস, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং রাজনীতিতে বাঙালি মুসলমানের অতীত ও বর্তমান অবদানগুলোকে যথাযথভাবে তুলে ধরার মাধ্যমে জাতিগত আত্মবিশ্বাসকেও আবার জাগরিত করার জন্য সচেষ্ট হতে হবে।
একবার জাতি হিসাবে নিজেদের আত্মবিশ্বাস ফিরে পেলে বাঙালি মুসলমান অগ্রগতির পথে নিয়ে আসা এবং সবার জন্য একটা বৈষম্যমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব হবে।
হাসান মাহমুদ : সহকারী অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান, নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় (কাতার)
৭ই অক্টোবর, দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত